Home ওজন বাড়ানোর জন্য খুব সহজে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শরীরের ওজন বাড়ান

খুব সহজে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে শরীরের ওজন বাড়ান

0

শুভেচ্ছা পাঠক। আজকের পোষ্ট তাদের জন্য যারা শরীরের ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন। বাড়তি ওজন যেমন একটা সমস্যা, ঠিক একইভাবে সমস্যা রুগ্ন বা ভগ্ন স্বাস্থ্যের অধিকারী হওয়াটা। অতিরিক্ত চিকন বা স্লিম মানেই সুন্দর নয়, বরং সৌন্দর্য নিহিত হচ্ছে নিজের শরীরের গড়ন অনুযায়ী আদর্শ ওজনে অবস্থান করার মাঝে।

একজন রুগ্ন বা “আন্ডার ওয়েট” মানুষের চেহারা তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারায়। চাপা ভাঙ্গা হয়, চোখের কোলে কালি পড়ে, কাজকর্মে উৎসাহ লাগে না কিংবা খুব ক্লান্ত বোধ করেন সব সময়। বেশী রোগা মানুষের শরীর সঠিকভাবে গঠিত হয়না, বা বয়সের সাথে সঠিক ভাবে রূপান্তরিত হয়না। ফলে তাঁরা ভুগে থাকেন ভীষণ হীনমন্যতায়ও। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে সামান্য চেষ্টা করেই কিন্তু আপনি আপনার ওজন বাড়াতে পারেন।

skinny to muscular 2

ওজন বাড়ানোর পদ্ধতি দুইটি। আপনি জাঙ্ক ফুড এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে শরীরের ফ্যাট লেভেল বাড়াতে পারেন। এতে আপনি মোটা হবেন ঠিক, কিন্তু এটা স্বাস্থ্যসম্মতভাবে হলো না। এবং এটা অবশ্যই আমাদের কাম্য নয়। কিন্তু তাহলে কি করবেন? যদি ওজন বাড়িয়ে সুগঠিত শরীর পাবার সম্ভব-অসম্ভব সকল চেষ্টা করেই ক্লান্ত হয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে আপনার উপকারে আসবে এই টিপস গুলো। নিয়ম করে মেনে চলতে চেষ্টা করুন, অচিরেই নিজের মাঝে পরিবর্তন দেখতে পাবেন নিঃসন্দেহে।

প্রথমে জেনে নিন কেন দেহের ওজন কাম্য ওজনের চেয়ে কম। প্রধানত তিনটি কারণে দেহের ওজন কম হতে পারে:

  • chronic disease
  • eating disorders
  • lack of physical activity

রোগের কারণে যদি দেহের ওজন কম হয় তবে সে রোগের যথাযথ চিকিৎসা অবশ্যই করতে হবে।

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভুল খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত শারীরিক শ্রমের অভাবে দেহের ওজন বাড়াতে সফল হতে পারেন না।

ওজন বাড়াতে তাই কিছু কৌশল মনে রাখতে হবে আমাদের:

ক্ষুধা লাগলেই খাবার খান:

সহজে বহন করা যায় এমন খাবার সাথে রাখুন বাড়ির বাইরে থাকলে। সারা দিনের জন্য যখন কর্মপরিকল্পনা করবেন তখন কি ধরনের স্ন্যাক্স আপনি সাথে নিবেন তাও ঠিক করে রাখুন। কখনই এমন অবস্থা যেন না হয় যে, আপনি ক্ষুধার্ত কিন্তু আপনার সাথে খাবার নেই। Quick snacks হিসেবে সাথে রাখতে পারেন যেকান মৌসুমি ফল / juice /প‌্যাকেটজাত পনির ও ক্রাকার/ যেকোন ধরনের বাদাম ইত্যাদি। ৩-৪ ঘন্টা পর পর আপনাকে খাবার খেতে হবে, যদি ক্ষুধা নাও লাগে তবুও অল্প কিছু খেতে চেষ্টা করুন।

ক্যালরি পান করুন :

high-calorie drinks পান করুন।Fruit juice, smoothies, milkshakes ও এমন products বেছে নিন যেগুলোতে ক্যালরি বেশি পরিমানে আছে।আপনার প্রধান খাবারের সাথে juice বা low-fat milk পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে smoothie বা milkshake পান করুন।

সকালের নাস্তা কখনই বাদ দিবেন না:

সারা দিনের খাবারে মধ্যে সকালের নাস্তা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ, তা ওজন কমানো বা বাড়ানো যাই হোক না কেন! যারা ওজন বাড়াতে চান তাদের জন্য এটি একটি ভাল সুযোগ ক্যালরি গ্রহনের। যদি সকালের নাস্তা বাদ দেন তবে প্রায় ৪০০ ক্যালরি গ্রহন থেকে বঞ্চিত হতে হয়!যদি প্রতিদিন সকালের নাস্তায় ৪০০-৫০০ ক্যালরি গ্রহন করা যায় তবে মাস শেষে প্রায় ৩ পাউন্ড ওজন বাড়াতে সক্ষম হবেন।

ছুটির দিনে খাবার:

ছুটির দিনে আপনার খাবার সময়সুচি যেন ওলট পালট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। দুপুর পর্যন্ত ঘুমালে অনেক খানি ক্যালরি মিস হয়ে যায়। যদি late morning বা early afternoon পর্যন্ত ঘুমানো একান্ত দরকার হয় তবে খাবার সময়গুলোতে এর্লাম দিয়ে রাখুন।

এবং, হ্যা , অবশ্যই কিছু ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিতভাবে।
এভাবেই পেতে পারেন আপনার কাঙ্খিত দেহের ওজন।

Builder_21 শরীর নামক যন্ত্রটা সম্পর্কে জানতে চাই এবং জানাতে চেষ্টা করি

LEAVE YOUR COMMENT

Your email address will not be published. Required fields are marked *